কন্টেন্টে যান

হঠাৎ হার্টবিট বেড়ে যাওয়ার কারণ কী

হঠাৎ হার্টবিট বেড়ে যাওয়ার কারণ কী
Rate this post

হঠাৎ করে বুকে ধড়ফড় শুরু হলো—মনে হচ্ছে বুকের ভেতর পাখি উড়ছে, কিংবা হার্টবিট এত জোরে যে কানে শোনা যাচ্ছে। এই অভিজ্ঞতা অনেকেরই জীবনে কোনো না কোনো সময় হয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানে একে ‘পালপিটেশন’ বলা হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটি ক্ষণস্থায়ী এবং উদ্বেগের কারণ নয়। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে এটি অন্তর্নিহিত কোনো শারীরিক সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে। এই নিবন্ধে আমরা হঠাৎ হার্টবিট বেড়ে যাওয়ার সম্ভাব্য কারণ, কখন এটি স্বাভাবিক আর কখন সতর্ক হতে হবে, এবং কী করণীয় তা নিয়ে আলোচনা করব। মনে রাখবেন, এই তথ্য শুধুমাত্র সচেতনতা বাড়ানোর জন্য; কোনো নির্দিষ্ট রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। প্রয়োজনে অবশ্যই একজন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ বা নিকটস্থ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

হঠাৎ হার্টবিট বেড়ে যাওয়া মানেই কি হার্ট অ্যাটাক?

অনেকেই ভাবেন, হঠাৎ হার্টবিট বেড়ে গেলেই বুঝি হার্ট অ্যাটাক হতে যাচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে বেশিরভাগ ধড়ফড়ের পেছনে হার্ট অ্যাটাকের কোনো সম্পর্ক নেই। হার্ট অ্যাটাক সাধারণত বুকে চাপ, ব্যথা, বাম হাতে বা চোয়ালে ব্যথা, ঘাম ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে আসে। অন্যদিকে, সাধারণ ধড়ফড় কয়েক সেকেন্ড বা মিনিট স্থায়ী হয় এবং নিজে থেকেই সেরে যায়। তবুও, কিছু লক্ষণ থাকলে সতর্ক হওয়া জরুরি। নিচের টেবিলটি দেখলে পার্থক্যটা স্পষ্ট হবে:

স্বাভাবিক ও অস্বাভাবিক হার্টবিটের পার্থক্য
বৈশিষ্ট্য স্বাভাবিক (ক্ষণস্থায়ী) অস্বাভাবিক (সতর্কতা সংকেত)
স্থায়িত্ব কয়েক সেকেন্ড থেকে কয়েক মিনিট ঘন ঘন বা দীর্ঘস্থায়ী (ঘণ্টার পর ঘণ্টা)
ট্রিগার স্পষ্ট কারণ যেমন ব্যায়াম, দুশ্চিন্তা, ক্যাফেইন কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াই বা বিশ্রামের সময়
সহগামী উপসর্গ সাধারণত নেই বা সামান্য মাথা ঘোরা বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, অজ্ঞান হওয়া, প্রচণ্ড দুর্বলতা
প্রতিক্রিয়া বিশ্রাম বা পানি পান করলে কমে বিশ্রামেও কমে না বা আরও বাড়ে

যদি আপনার ধড়ফড়ের সাথে উপরোক্ত অস্বাভাবিক লক্ষণগুলোর কোনোটি থাকে, তাহলে দেরি না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। অন্যথায়, এটি সাধারণত উদ্বেগের কারণ নয়।

কোন কোন কারণে হার্টবিট হঠাৎ বেড়ে যেতে পারে?

হঠাৎ হার্টবিট বেড়ে যাওয়ার পেছনে অনেকগুলো কারণ থাকতে পারে। এগুলোকে মোটামুটিভাবে দুই ভাগে ভাগ করা যায়: অস্থায়ী (ক্ষণস্থায়ী) কারণ এবং শারীরবৃত্তীয় বা রোগগত কারণ। নিচের টেবিলে সাধারণ কারণ ও করণীয় তুলে ধরা হলো:

হঠাৎ হার্টবিট বেড়ে যাওয়ার সাধারণ কারণ ও করণীয়
কারণ বর্ণনা করণীয়
মানসিক চাপ ও উদ্বেগ অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, প্যানিক অ্যাটাক, বা ভয়ের কারণে অ্যাড্রেনালিন নিঃসরণ বেড়ে যায়, যা হার্টবিট দ্রুত করে। গভীর শ্বাস নিন, মনোযোগ অন্য দিকে দিন। প্রয়োজনে ঢাকা-তে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ এর পরামর্শ নিন।
ক্যাফেইন ও নিকোটিন চা, কফি, এনার্জি ড্রিংক, বা ধূমপানের কারণে হার্টবিট বাড়তে পারে। পরিমাণ কমান বা বাদ দিন। বিশেষ করে খালি পেটে কফি এড়িয়ে চলুন।
ঘুমের অভাব পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীরের স্বাভাবিক ছন্দ বিঘ্নিত হয় এবং হার্টবিট বেড়ে যেতে পারে। প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন।
ডিহাইড্রেশন শরীরে পানি কমে গেলে রক্তের পরিমাণ কমে যায়, ফলে হার্টকে বেশি কাজ করতে হয়। পর্যাপ্ত পানি পান করুন, বিশেষ করে গরমে বা শারীরিক পরিশ্রমের পর।
জ্বর ও সংক্রমণ শরীরের তাপমাত্রা বাড়লে হার্টবিট স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে যায়। জ্বরের চিকিৎসা নিন এবং বিশ্রামে থাকুন।
অ্যানিমিয়া (রক্তস্বল্পতা) রক্তে অক্সিজেন বহনকারী হিমোগ্লোবিন কম থাকলে হার্টকে বেশি পাম্প করতে হয়। রক্ত পরীক্ষা করান এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী আয়রন সাপ্লিমেন্ট নিন।
থাইরয়েড সমস্যা (হাইপারথাইরয়েডিজম) থাইরয়েড হরমোনের আধিক্য মেটাবলিজম বাড়িয়ে হার্টবিট দ্রুত করে। থাইরয়েড ফাংশন টেস্ট করান এবং ঢাকা-তে হরমোন / থাইরয়েড বিশেষজ্ঞ এর পরামর্শ নিন।
ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কিছু ওষুধ (যেমন অ্যাজমার ওষুধ, ডিকনজেস্ট্যান্ট) হার্টবিট বাড়াতে পারে। ওষুধ বন্ধ করার আগে চিকিৎসকের সাথে কথা বলুন।

এছাড়াও অতিরিক্ত অ্যালকোহল, গর্ভাবস্থা, ইলেক্ট্রোলাইট imbalance (পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতি) ইত্যাদি কারণেও হঠাৎ হার্টবিট বেড়ে যেতে পারে।

হৃদরোগ সংক্রান্ত কারণ: কখন সতর্ক হবেন?

যদিও বেশিরভাগ ধড়ফড় নিরীহ, তবে কিছু কিছু হৃদরোগ সরাসরি হার্টবিটের গতি ও ছন্দকে প্রভাবিত করে। এগুলোকে গুরুত্ব সহকারে নেওয়া জরুরি। যেমন:

  • অ্যাট্রিয়াল ফাইব্রিলেশন (AFib): এটি একটি সাধারণ অ্যারিদমিয়া যেখানে হার্টের উপরের প্রকোষ্ঠগুলো (অ্যাট্রিয়া) অনিয়মিত ও দ্রুত স্পন্দিত হয়। এর ফলে ধড়ফড়, শ্বাসকষ্ট, ক্লান্তি দেখা দিতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়।
  • সুপ্রাভেন্ট্রিকুলার ট্যাকিকার্ডিয়া (SVT): হঠাৎ করে হার্টবিট ১৫০-২৫০-এ চলে যায় এবং হঠাৎ করেই বন্ধ হয়ে যায়। এটি সাধারণত নিরীহ হলেও বারবার হলে চিকিৎসা প্রয়োজন।
  • ভেন্ট্রিকুলার ট্যাকিকার্ডিয়া (VT): এটি আরও গুরুতর, কারণ হার্টের নিচের প্রকোষ্ঠ থেকে দ্রুত স্পন্দন আসে। এটি প্রাণঘাতী হতে পারে এবং দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন।
  • ইলেক্ট্রোলাইট imbalance: পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালসিয়ামের মাত্রা অস্বাভাবিক হলে হার্টের বৈদ্যুতিক সিস্টেম বিঘ্নিত হয়।
  • হার্টের ভালভের সমস্যা: মাইট্রাল ভালভ প্রোল্যাপস বা অন্যান্য ভালভের ত্রুটির কারণেও ধড়ফড় হতে পারে।

এসব কারণ শনাক্ত করতে ইসিজি, ইকোকার্ডিওগ্রাম, এবং হল্টার মনিটরের মতো পরীক্ষা প্রয়োজন। তাই বারবার বা অস্বাভাবিক ধড়ফড় হলে ঢাকা-তে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ এর পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

কখন দ্রুত ডাক্তার দেখাবেন? (জরুরি লক্ষণ)

নিচের উপসর্গগুলোর সাথে যদি হঠাৎ হার্টবিট বেড়ে যাওয়া দেখা দেয়, তাহলে দেরি না করে জরুরি বিভাগে যান বা ডাক্তারকে কল করুন:

  • বুকে ব্যথা, চাপ বা অস্বস্তি
  • শ্বাসকষ্ট বা নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া
  • মাথা ঘোরা, হালকা লাগা বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া
  • প্রচণ্ড দুর্বলতা বা ক্লান্তি
  • ধড়ফড় দীর্ঘ সময় ধরে (১৫-২০ মিনিটের বেশি) থাকা
  • ধড়ফড়ের সাথে সাথে ঘাম হওয়া বা বমি বমি ভাব
  • পূর্বে হার্টের সমস্যা থাকলে এবং নতুন করে ধড়ফড় শুরু হলে

সময়মতো চিকিৎসা নিলে অনেক জটিলতা এড়ানো সম্ভব।

ঘরোয়া ব্যবস্থা ও প্রতিরোধ টিপস

যদি আপনার ধড়ফড় নিরীহ হয় এবং ডাক্তার কোনো গুরুতর কারণ খুঁজে না পান, তাহলে কিছু ঘরোয়া ব্যবস্থা ও জীবনযাত্রার পরিবর্তন এ সমস্যা কমাতে সাহায্য করতে পারে। তবে এগুলো কখনোই চিকিৎসার বিকল্প নয়।

  • পর্যাপ্ত পানি পান করুন: ডিহাইড্রেশন এড়াতে দিনে ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন।
  • ক্যাফেইন ও নিকোটিন কমান: চা, কফি, এনার্জি ড্রিংক এবং ধূমপান এড়িয়ে চলুন।
  • স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট: গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম, মেডিটেশন বা যোগব্যায়াম করতে পারেন। প্রয়োজনে একজন মনোবিদের সাহায্য নিন।
  • নিয়মিত ঘুম: প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমানো ও জাগার চেষ্টা করুন।
  • অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন: অ্যালকোহল হার্টবিট বাড়াতে পারে।
  • সুষম খাবার: পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার (যেমন কলা, শাক, বাদাম) খান।
  • নিয়মিত ব্যায়াম: তবে অতিরিক্ত কঠিন ব্যায়াম এড়িয়ে চলুন। হালকা হাঁটা ভালো।

যদি ঘরোয়া ব্যবস্থা সত্ত্বেও ধড়ফড় বারবার হয়, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

বাংলাদেশে সাধারণ ডায়াগনস্টিক টেস্ট

হঠাৎ হার্টবিট বেড়ে যাওয়ার সঠিক কারণ নির্ণয় করতে বাংলাদেশের হাসপাতাল ও ক্লিনিকে কিছু সাধারণ পরীক্ষা করা হয়। এগুলো ব্যয়বহুল নয় এবং সহজলভ্য।

  • ইসিজি (ECG): এটি সবচেয়ে প্রাথমিক পরীক্ষা। হার্টের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ রেকর্ড করে এবং অ্যারিদমিয়া শনাক্ত করতে সাহায্য করে।
  • হল্টার মনিটর: ২৪ ঘণ্টা বা তার বেশি সময় ধরে হার্টবিট রেকর্ড করে। বিশেষ করে যখন ধড়ফড় মাঝে মাঝে হয়।
  • ইকোকার্ডিওগ্রাম: হার্টের গঠন ও কার্যকারিতা দেখার জন্য আল্ট্রাসাউন্ড। ভালভের সমস্যা, হার্টের পেশির দুর্বলতা ইত্যাদি শনাক্ত করে।
  • থাইরয়েড ফাংশন টেস্ট: থাইরয়েড হরমোনের মাত্রা পরীক্ষা করে। হাইপারথাইরয়েডিজম ধড়ফড়ের একটি সাধারণ কারণ।
  • ইলেক্ট্রোলাইট প্যানেল: রক্তে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালসিয়ামের মাত্রা পরীক্ষা করে।
  • কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট (CBC): অ্যানিমিয়া (রক্তস্বল্পতা) আছে কিনা তা জানতে।

প্রাথমিকভাবে একজন ঢাকা-তে মেডিসিন বিশেষজ্ঞ বা সাধারণ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করাতে পারেন। প্রয়োজনে তিনি হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে রেফার করবেন।

মনে রাখবেন: এটি শুধুমাত্র তথ্যমূলক, চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়। আপনার এলাকার ডাক্তার খুঁজতে ঢাকা-এর ডাক্তার তালিকা দেখতে পারেন।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

হঠাৎ হার্টবিট বেড়ে গেলে কি সব সময়ই বিপজ্জনক?

না, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটি ক্ষণস্থায়ী এবং উদ্বেগের কারণ নয়। যেমন—ভয়, উদ্বেগ, অতিরিক্ত চা-কফি, বা শারীরিক পরিশ্রমের পর হার্টবিট বেড়ে যেতে পারে। তবে যদি এটি ঘন ঘন হয়, দীর্ঘস্থায়ী হয়, বা বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরার মতো উপসর্গ থাকে, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

মানসিক চাপ বা উদ্বেগের কারণেও কি হার্টবিট হঠাৎ বেড়ে যেতে পারে?

হ্যাঁ, মানসিক চাপ, প্যানিক অ্যাটাক বা উদ্বেগের কারণে অ্যাড্রেনালিন হরমোন নিঃসৃত হয়, যা হৃদস্পন্দন দ্রুত করে দিতে পারে। এটি সাধারণত অস্থায়ী এবং চাপ কমলে ঠিক হয়ে যায়। তবে যদি বারবার হয় বা দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলে, তাহলে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

হার্টবিট হঠাৎ বেড়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে কী করব?

প্রথমে শান্ত হওয়ার চেষ্টা করুন। গভীর শ্বাস নিন (৪ সেকেন্ড ধরে নিঃশ্বাস নিন, ৪ সেকেন্ড ধরে রাখুন, ৪ সেকেন্ডে ছাড়ুন)। ঠান্ডা পানি পান করুন বা মুখে একটু পানি ছিটিয়ে দিন। ক্যাফেইন, ধূমপান বা অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন। যদি ১০-১৫ মিনিটের মধ্যে না কমে বা বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, অজ্ঞান হওয়ার মতো উপসর্গ থাকে, তাহলে দ্রুত হাসপাতালে যান।

ক্ষতিকর না বিপজ্জনক—কিভাবে বুঝব যে হার্টবিট বেড়ে যাওয়াটি গুরুতর?

সাধারণত ক্ষতিকর পালপিটেশন কয়েক সেকেন্ড থেকে কয়েক মিনিট স্থায়ী হয় এবং নিজে থেকেই ঠিক হয়ে যায়। বিপজ্জনক হতে পারে যদি—বুকে চাপ বা ব্যথা থাকে, শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, মাথা ঘোরে বা অজ্ঞান হয়ে যান, অথবা হার্টবিট খুব দ্রুত (প্রতি মিনিটে ১৫০-এর বেশি) এবং অনিয়মিত মনে হয়। এই লক্ষণগুলো দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যান।

বাংলাদেশে হঠাৎ হার্টবিট বেড়ে যাওয়ার কারণ জানতে সাধারণত কী কী পরীক্ষা করা হয়?

চিকিৎসক প্রথমে রোগীর ইতিহাস ও শারীরিক পরীক্ষা করেন। প্রয়োজন অনুযায়ী ইসিজি (ECG), ২৪ ঘণ্টা হল্টার মনিটরিং, ইকোকার্ডিওগ্রাম, এবং রক্ত পরীক্ষা (যেমন থাইরয়েড হরমোন, ইলেক্ট্রোলাইট) করা হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে ইলেক্ট্রোফিজিওলজি স্টাডি বা স্ট্রেস টেস্টেরও প্রয়োজন পড়তে পারে। এই পরীক্ষাগুলো বাংলাদেশের অধিকাংশ বড় হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাওয়া যায়।

তথ্যসূত্র

উপরের তথ্যসূত্রগুলো আন্তর্জাতিক জার্নাল, সরকারি স্বাস্থ্য সংস্থা বা স্বীকৃত চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট থেকে নেওয়া (কিছু লিংক বিষয়ভিত্তিক অনুসন্ধান পাতা):

Rate this post